শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮
বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার হবে: হানিফ
Published : Thursday, 11 January, 2018 at 5:47 PM

বিগত দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলটির চেয়ারপারসনকে ফোন করে আহ্বান জানালেও এবার তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। এ নেতা আরও বলেন, প্রতিটি সাংগঠনিক স্তরেই আওয়ামী লীগ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সরকারের চলমান উন্নয়ন, আওয়ামী লীগের নির্বাচন প্রস্তুতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুবিশাল নেতৃত্ব নিয়েও কথা বলেন হানিফ।

সরকারের চার বছর পূর্তি এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আজকালের খবরের মুখোমুখি হন আওয়ামী লী

গের টানা তিনবারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকালের খবরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হাবীব রহমান

আজকালের খবর: দ্বিতীয় মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জন কী?
হানিফ: শত-সহস্র অর্জন। যে পশ্চিমারা একসময় বলেছিল বাংলাদেশ একটি ‘বটমলেস বাস্কেট’ (তলাবিহীন ঝুড়ি); তারাই এখন বলছেন বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, বাংলাদেশ উন্নয়নে ভরপুর। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, সাবমেরিন, ফোর লেন মহাসড়ক, ফ্লাইওভার, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, সাড়ে ৩৫ কোটি নতুন বই- মোটকথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে এনেছে। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে রায় কার্যকর করা হয়েছে। বিচার এখনও চলমান। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের বাকি কাজ শেষ করে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নিয়ে আওয়ামী লীগ ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে চায়।

আজকালের খবর: আগামী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ কতটুকু আশাবাদী?
হানিফ: আমরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। কারণ বর্তমান সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে, বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকার তেমন উন্নয়ন করতে পারেনি। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ৫০০ ডলারের নিচ থেকে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬০০ ডলার ছাড়িয়েছে। বৈদেশিক রফতানি বেড়েছে। রিজার্ভ বেড়েছে। দরিদ্র দেশ থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অভাবনীয় বড় বড় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। আর সংগঠন হিসেবেও আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সব স্তরেই অনেক শক্তিশালী। প্রধানমন্ত্রীর আকাশসম নেতৃত্ব, অভাবনীয় উন্নয়ন আর ইস্পাতসম সাংগঠনিক শক্তির ওপর ভর করে আমরা আগামী নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হব। আমাদের বিশ্বাস, জনগণ সবসময় তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন, উন্নয়ন ও শান্তি চায়। যেজন্য অতীতে আওয়ামী লীগকে জনগণ ভোট দিয়েছে, আগামী নির্বাচনেও দেবে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের দোসরদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে।

আজকালের খবর: এত উন্নয়নের মধ্যেও রিজার্ভ চুরি ও ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলার মতো কিছু খারাপ সংবাদও রয়েছে।
হানিফ: রিজার্ভ চুরির বিষয়টি একটি দুর্ঘটনা। পৃথিবীর অনেক দেশেই এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। পাসওয়ার্ড হ্যাক (চুরি) করে এমন দুর্ঘটনা অনেক দেশেই ঘটেছে। তারপরও বাংলাদেশ সরকার চুরি হওয়া রিজার্ভের একটি অংশ দেশে ফেরত আনতে পেরেছে। এটা নিয়ে সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর আরও সতর্কতা প্রত্যাশা করি।

আজকালের খবর: আর ব্যাংকিং খাত...
হানিফ: হ্যাঁ; এগুলোরও তদন্ত হচ্ছে। যাদের কারণে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা, তাদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনা উচিত। প্রয়োজনে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।

আজকালের খবর: আপনাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি কেমন চলছে?
হানিফ: আওয়ামী লীগ নির্বাচনের জন্য সবসময় প্রস্তুত। একটি নির্বাচনের পর থেকেই আমরা আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি। একটি রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় কর্মসূচিই হলো নির্বাচনে অংশ নেওয়া। তবে নির্বাচনের জন্য বাড়তি কিছু প্রস্তুতি থাকে। যেমন প্রার্থী বাছাইয়ে মাঠ পর্যায়ের কিছু তথ্য-উপাত্ত দরকার হয়। সেই তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ হয়েছে। এখন এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। এর বাইরে প্রায় প্রতি তিন মাস পরপর একটা সার্ভে করা হয়। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সর্বশেষ আমাদের অবস্থান এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান সম্পর্কে দলের হাইকমান্ড অবগত হয়। সেটার ওপর ভিত্তি করেই আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

আজকালের খবর: আপনাদের তো প্রস্তুতি আছে। কিন্তু বিএনপি কি নির্বাচনে আসবে?
হানিফ: আমরা মনে করি, নির্বাচনের বড় স্টেকহোল্ডাররাও প্রস্তুত আছে। বিশেষ করে সংসদের বাইরে থাকা বিএনপিও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তাদের প্রার্থী বাছাইয়ের কাজও চলছে এবং তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতাও নির্বাচনে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

আজকালের খবর: বিএনপি বলছে, প্রধানমন্ত্রী বা সংসদকে বহাল রেখে নির্বাচনে আসবে না।
হানিফ: সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন হবে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এরপরও কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে জনগণ এর জবাব দেবে। আসলে নির্বাচনের সময় এগুলো খুব বেশি মেটার করে না। কারণ নির্বাচনের সময় প্রশাসনিক সব ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে চলে যায়। নির্বাচনের হাতে ক্ষমতা থাকা মানে সবার জন্যই সমান। এখানে সরকারের কিছুই করার থাকে না। সরকার শুধু নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে পারে। যেমন আপনারা দেখেছেন, আমাদের সময় যেসব সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা শতভাগ সুষ্ঠু হয়েছে।

আজকালের খবর: নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোনো ছাড় বা সংলাপের সম্ভাবনা কতটুকু?
হানিফ: কুলখানি, বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়। একটি নিবন্ধনকৃত রাজনৈতিক দলের মূল কাজই হলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। আমরা চাই জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীল দল হিসেবে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। সংলাপ-আলাপ এসব অবান্তর।

আজকালের খবর: বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় বা সহায়ক সরকার দাবি করছে।
হানিফ: এ দাবির পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। একটা হতে পারে এটা তাদের রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে দর কষাকষি করে তারা একটু বাড়তি সুবিধা পেতে চায়। বিএনপি একাধিকবার ক্ষমতায় বা সংসদে ছিল। তারা সংবিধান এবং আইন জানে। একটি দায়িত্বশীল ও বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা এটা বেশ ভালো করেই জানে সংবিধানের মধ্যে থেকেই নির্বাচন হতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার কারও কোনো সুযোগ নেই। অহেতুক সংবিধান ঘষামাজা, কাটাছেঁড়া, পরিবর্তন বা সংশোধনের কোনো প্রয়োজন নেই। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকার সহায়ক সরকার হিসেবে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করে যাবে।

আজকালের খবর: ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ এমনকি বিএনপিকে নির্বাচনকালীন সরকারে থাকারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এবার তেমন কিছু হবে কি?
হানিফ: না। কারণ ২০১৪ আর বর্তমান পেক্ষাপট এক নয়। ওই সময় সরকারের আন্তরিকভাবে বারবার আহ্বানের পরও বিএনপি সংলাপে আসেনি এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়সহ নির্বাচনকালীন সরকারে থাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল। তাদের ওই ভুল ও একগুঁয়েমি সিদ্ধান্তের কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। নির্বাচন ঠেকানোর নামে বহু মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। নির্বাচন প্রতিহতের নাম করে দুজন প্রিজাইডিং অফিসারসহ ৪৭ জন সাধারণ ভোটারকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ৫০০’রও বেশি স্কুলে আগুন দিয়েছিল। বাড়িঘর, গাড়িতে আগুন দিয়েছিল। এটা কিন্তু শুধু নির্বাচনের সময়ই নয়, সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে ৯৩ দিন অবরোধের নামে পেট্রলবোমায় ২৩১ জন মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। সবাই নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষ। এর সবই হয়েছে বিএনপির ওই ভুল সিদ্ধান্তের কারণে। এখন আর সেই প্রেক্ষাপট নেই। বিএনপিও সংসদে নেই। আগামী নির্বাচনের সময় সর্বদলীয় সরকার গঠনের কোনো প্রয়োজন হবে না।

আজকালের খবর: জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দলে নিয়ে সংসদ কতটুকু কার্যকর হয়েছে?
হানিফ: আমার মনে হয়েছে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এবারের সংসদ বেশি কার্যকর ছিল। এ কার্যকরের কারণেই দেশের স্বার্থে অনেক আইন করা হয়েছে। জনগণের জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে। সংসদ মানেই সেখানে বসে যে শুধু বাগবিতণ্ডা করা, সেটা হতে পারে না। সরকারের ভুল বা কাজের সমালোচনা অবশ্যই হবে। সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে সেখানে। কিন্তু সংসদে বসে খিস্তিখেউড় করা, নিজ রাজনৈতিক দলের পক্ষে সাফাই এবং অন্যের বিষোদগার করা এটা সংসদের কাজ হতে পারে না। অতীতে আমাদের সংসদগুলো এ পথেই ছিল। কিন্তু বর্তমান সংসদ এসব নোংরা কার্যকলাপের পরিবেশ হয়নি। আপনারা লক্ষ করেছেন, গত বাজেটে আমরা অর্থমন্ত্রীর কিছু প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেছি। অবশেষে অর্থমন্ত্রী তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সংসদে এটাই হওয়া উচিত। সংসদ জনগণের জন্য। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সদস্যরা জনগণের পক্ষেই কথা বলবে। জনগণের বিরুদ্ধে কিছু গেলে প্রতিবাদ করাটাই বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব। তবে আমরা সরকারি দলের সদস্য হিসেবেও সেই দায়িত্ব পালন করেছি। দেশের স্বার্থে, জনস্বার্থে আমরা অনেক কিছুর প্রতিবাদ করেছি এবং সরকারকে বাধ্য করেছি সেসব বিষয় সংশোধন করতে। সেই হিসেবে বলা যায় অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি কার্যকর বর্তমান সংসদ।

আজকালের খবর: টানা নয় বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বহির্বিশ্বে। কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
হানিফ: সারা পৃথিবী আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিমোহিত। একটি বাড়ি একটি খামারের মতো উদ্ভাবনী প্রকল্প যেমন সারাবিশ্বে আলোচিত, তেমনি পৃথিবীর সবচেয়ে সৎ ও কর্মঠ সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা। এসব তথ্য-উপাত্তও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জরিপের ফলাফল। সর্বশেষ রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি হয়েছেন ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কর্মদক্ষতা দিয়ে গত নয় বছরে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দরিদ্র দেশ থেকে আজ বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছেন। আপনারা লক্ষ করেছেন, দুই বছর আগেও জি-৭ সামিটে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, কানাডা, জার্মানি, সৌদি আরবসহ পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ও শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রধানরা যোগ দেন। সেখানে আরও অনেক রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। সেখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচয় তুলে ধরা হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রপ্রধান তাকে গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করেন। এর কারণ একটাই- শেখ হাসিনার দক্ষতা, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বাংলাদেশের মতো একটা সমস্যাবহুল, সীমিত সম্পদের বিশাল জনবহুল দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়েছেন, যা অন্য কারও পক্ষে খুব কঠিন ব্যাপার ছিল। বঙ্গবন্ধুর পর এ দেশের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনা নিজেকে সেই স্থানে নিয়ে গেছেন। এখন বিশ্বের যে কোনে ফোরাম বা সভা-সেমিনারে শেখ হাসিনা থাকলে ওই ফোরাম সম্মানিত বোধ করে।

আজকালের খবর: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
হানিফ: আজকালের খবরকেও ধন্যবাদ।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : আজিজ ভবন (৫ম তলা), ৯৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ফোন : +৮৮-০২-৪৭১১৯৫০৬-৮।  বিজ্ঞাপন- ০১৯৭২৫৭০৪০৫, ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সাকুলের্শন- ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com