শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮
বর্ণাঢ্য দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা: প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার বিশিষ্টজনদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Saturday, 6 January, 2018 at 10:11 PM, Update: 06.01.2018 10:14:57 PM

দেশের প্রকৃতি আজ হুমকির মুখে। বিলুপ্ত হতে চলেছে দেশের সবুজ বেষ্টনী। দূষিত হচ্ছে আমাদের পরিবেশ ও নির্মল বায়ু। ক্রমেই এর ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। তাই এ প্রকৃতিকে রক্ষার অঙ্গীকার করলেন দেশের পরিবেশবিদ ও বিশিষ্টজনরা। শনিবার চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে ‘দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা ২০১৮’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা এ অঙ্গীকার করেন। 

দিনব্যাপী সপ্তমবারের মতো আয়োজিত এবারের মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস গ্রুপ ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেশবন্ধু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রহমান, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, দেশবন্ধু গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার বসু, জিএম হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও দেশবন্ধু গ্রুপের পরিচালক তাবাসসুম মোস্তফা, সাবেক বিজিএমইএ’র সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, নূর ইকো ব্রিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান সিরাজ জুয়েল, বিশিষ্ট রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ড. এনামুল হক, ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী, মিনারা জামান, আজাদ রহমান প্রমুখ।

বেলা ১১টা ১০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ঢোলের বাদ্য আর নৃত্য-সংগীতের তালে। উদ্বোধনী শুভেচ্ছা বক্তব্যে জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুন্দর জীবন’ - এ স্লোগানে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে। একাত্তরে সবাই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বলেই বিজয় সম্ভব হয়েছিল। একইভাবে প্রকৃতি রক্ষায়ও আমাদের সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশকে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারক মহলের সামনে তুলে ধরতে সাত বছরে ধরে দুর্গম পাহাড় থেকে গভীর অরণ্য আর সাগরতলে ছুটে চলেছে প্রকৃতি ও জীবন দল। তিনি বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা, প্রকাশনা এবং প্রান্তিক পর্যায় থেকে দেশ-বিদেশে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে নানাভাবে কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য আমরা যেমন ‘প্রকৃতি ও জীবন’ নামে অনুষ্ঠান করছি, একই সঙ্গে প্রকৃতি মেলা করে এ সচেতনতাটা আরও জোরদার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, প্রকৃতি বাঁচলেই আমরা বাঁচব। দিনব্যাপী মেলায় আমরা সবাইকে বারবার মনে করিয়ে দেব প্রকৃতি রক্ষার কথা। প্রকৃতির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ঢাকা শহরে জীবনযাপনকারীরা প্রকৃতি থেকে অনেক দূরে। তাদেরসহ নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতির মধ্যে রাখতে দিনব্যাপী এ প্রকৃতি মেলার আয়োজন।

দেশবন্ধু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রহমান বলেন, চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে সপ্তমবারের প্রকৃতি মেলার আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে আমরা গর্বিত। বর্তমানে দেশে থেকে আমাদের অনেক কিছু হারিয়ে যাচ্ছে। গাছপালা থেকে শুরু করে পাখি, নদনদী, প্রাণী, এমনকি বাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য এসব বিষয় সংরক্ষণের বিকল্প নেই। শুধু সরকার নয়, সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেশের প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। 

দেশবন্ধু গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক বিদ্যুৎ কুমার বসু বলেন, যে কোনো মূল্যে আমাদের প্রকৃতিকে সাজিয়ে রাখতে হবে। প্রকৃতি নষ্ট হলে জীবলবৈচিত্র্যের পাশাপাশি আমরাও হারিয়ে যাব। তিনি বলেন, দেশবন্ধু মানে দেশের ও জনগণের বন্ধু। এ কারণে দেশবন্ধু সবসময় দেশের প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে দেশ ও দেশের জনগণের সেবা করছে।

তাবাসসুম মোস্তফা বলেন, প্রকৃতি বাঁচাতে ও মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রকৃতি মেলায় জিএম হোল্ডিংস নামে রিয়েল এসেস্ট কোম্পানি অংশ নিয়েছি। মেলায় আবাসন পিপাসুদের দেখানো হয়েছে কীভাবে সবুজ ও প্রকৃতিসম্মতভাবে বিল্ডিং তৈরি করা যায়। তিনি বলেন, আমাদের প্রকল্পের নাম দখিনা। নামেই অনেক কিছু বোঝা যাই। তাবাসসুম মোস্তফা বলেন, দেশে আবাসন কোম্পানির অভাব নেই। তবে সবুজ ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করার মতো কোম্পানির অভাব রয়েছে। তাই দেশের ও দশের স্বার্থে সবাইকে এ বিষয়টি মাথাই নিয়ে দেশবাসীর সেবায় এগিয়ে আসতে হবে।

চ্যানেল আইয়ের পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন বলেন, পারমাণবিক বোমার চেয়েও উদ্বেগের বিষয় এখন পরিবেশ সংরক্ষণ। প্রকৃতির বন্ধু হয়ে প্রকৃতিকে ভালোবেসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নূর ইকো ব্রিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান সিরাজ জুয়েল বলেন, মানুষ এখন পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন।

এদিকে গতকাল সরেজমিন দেখা যায়, চ্যানেল আই ভবনে সাধারণত সর্বসাধারণের প্রবেশ সংরক্ষিত। তবে গতকাল প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্য। নিরাপত্তারক্ষীদের কোনো বাধা নিষেধ ছাড়াই প্রবেশ করতে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে।

পুরোপুরি ভিন্নরূপে সেজেছিল প্রাঙ্গণটি। স্টেজ থেকে শুরু করে পুরো মেলার ইন্টেরিওর ডিজাইন যেন সবুজ ও প্রাণবন্ত একটি ব্যাপার। এমনকি মেলাকে ঘিরে যে স্টলগুলো থরে থরে সাজানো, সেগুলোতেও নান্দনিকতার ছোঁয়া স্পষ্ট। খড় ও বাঁশের কঞ্চি দিয়ে নির্মিত প্রতিটি স্টলেই ছিল নান্দনিকতা। 

দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলার মূল স্টেজে সারাদিন চলে বিভিন্ন পরিবেশনা। কখনও গান, কখনও বা জারি সারির মাধ্যমে প্রকৃতি রক্ষার বার্তাটি দিয়েছেন শিল্পীরা। কখনওবা উপস্থিত দর্শকরা দেখলেন ও শুনলেন জল তরঙ্গের মনমুগ্ধকর পরিবেশনা। সব মিলিয়ে দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা নিয়ে আয়োজকদের পাশাপাশি উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষও।

প্রতি বছরের মতো এবারও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠেছিল মেলা প্রাঙ্গণ। মুড়ি মুরকি, কাঁসার থালা বাসন থেকে শুরু করে গ্রাম বাংলার মেলাগুলোয় যেসব সামগ্রী সাধারণত দেখা যায় তার সবই গতকাল দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলায় দেখা যায়।

মেলা প্রাঙ্গণে ছিল সামুদ্রিক মাছের স্টল, হস্তশিল্পের স্টল, জীবন্ত প্রজাপতি ঘর, পাখি নিয়ে তথ্য-উপাত্ত। বিভিন্ন প্রজাতির গাছের পসরা সাজিয়ে বসে নার্সারি। প্রকৃতি নিয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের গান পরিবেশিত হয়েছে খ্যাতিমান শিল্পীদের কণ্ঠে। গানের সঙ্গে ছিল নাচের আয়োজন। ছিল অভিনব-ক্যারেক্টার শো, ছবি প্রদর্শনী ও শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। চারদিকে ফলদ ও বনজ গাছে চেতনা চত্বর হয়ে উঠেছিল সবুজে মোড়ানো এক টুকরো বাগান।

চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে প্রকৃতি মেলায় এসেছিলেন শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা দেখতে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এসেছিলেন ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম। মেলার সব স্টল ঘুরে দেখেন তারা। প্রকৃতি মেলা কেমন দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে এসে মনে হলো প্রকৃতি সম্পর্কে এতদিন কিছুই শিখিনি। এখানে এসে অনেক কিছুই নতুন করে জানতে পারলাম। প্রকৃতি মেলার মতো এ রকম সচেতনতামূলক আয়োজন আরও বেশি বেশি করে করা উচিত।


সামিউল ইসলামের মতো ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক জাফরীন ম্যাডামের নেতৃত্বে আট সদস্যের শিক্ষার্থীসহ ওই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪০ সদস্যের একটি টিম এসেছিল। মেলায় এসে সবাই অভিভ‚ত হয়েছেন বলে জানান তারা।
রাজধানীর বংশাল থেকে সপরিবারে মেলায় এসেছিলেন হক ফারুখ আহমেদ। তারাও সারাদিন মেলা ঘুরে প্রকৃতির শিক্ষা নিয়েছেন। একই সঙ্গে মেলার বিভিন্ন উপসর্গের ছোঁয়াই বেশ বিনোদন পেয়েছেন তারা। মেলায় কথা হয় দর্শনাথী ফজলুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রকৃতিবিষয়ক বিভিন্ন স্টল ঘুরে ও পরিপূর্ণ উৎসব মেজাজে প্রকৃতি রক্ষায় বিভিন্ন পাঠ নিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, প্রকৃতিই আমাদের সব। প্রকৃতি বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।

মেলা ঘিরে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ সেজেছিল প্রকৃতির সাজে। গত দুই দিন ধরে পৌষের শীতের কিছুটা দাপট থাকলেও গতকাল শনিবার সকাল থেকে মেলায় ভিড় বাড়তে থাকে। আর তাই চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলা দেখতে স্বতঃস্ফ‚র্ত উপস্থিতি ছিল সর্বসাধারণের। প্রতিটি স্টলেই উৎসুক মানুষের ভিড় দেখার মতো। প্রকৃতি ও জীবন, গ্রিন সেভার, ন্যাচারাল স্টাডির মতো প্রকৃতিনির্ভর স্টলগুলো বেশি হলেও পান-সুপারি, লোকশিল্পীদের চত্বর, আনন্দ আলো, ইমপ্রেস অডিও ভিশনসহ এ রকম আরও বেশকিছু স্টলেও ছিল মানুষের আনাগোনা। তবে মেলায় সবচেয়ে বেশি আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে একটি মাছের স্টল! ‘ফ্রোজেনিয়া’ নামের একটি মাছের স্টলই দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলায় উপস্থিত দর্শকের আকর্ষণ কেড়ে নিয়েছে। বাঁশ, খড় আর কঞ্চি দিয়ে নির্মিত নান্দনিক এ মাছের স্টলটিতে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ছিল মানুষের ভিড়। প্রকৃতিবিষয়ক স্টলগুলোর পাশাপাশি নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে ছোট্ট শিশুটিও মাছের এ স্টলটি দেখে একটু থমকে দাঁড়িয়েছ। স্টলে থরে থরে সাজানো বিশাল বিশাল মাছ। মানুষ এসে ভিড় করে মাছগুলো দেখছেন। কেউ কেউ মাছের সঙ্গে দলবেঁধে ছবি তুলছেন। স্টলে থরে থরে সাজানো শোল, বোট ফিশ, তাইল্লা, করাতি ফিশ, টোনা, কামিলা, চাপাকোরি, ব্ল্যাক পমফ্রেট, রেড স্নেপার, গেনগেনি, রকেট সুরমা, মিল্ক ফিশ এবং ফিন শার্ক। মাছগুলো নিয়ে মানুষের কৌত‚হলের শেষ নেই। 

মাছগুলো কীভাবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ফ্রিজিং করে রাখা হয় এসব বিষয় তুলে ধরতেই তাদের দেশবন্ধু-চ্যানেল আই প্রকৃতি মেলায় আসা বলে জানান স্টলটির কর্মকর্তা আব্দুর রহমান। 

এদিকে পরিবেশ ও প্রকৃতিবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত এ মেলায় প্রকৃতিবিদ, প্রকৃতিপ্রেমীসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে প্রকৃতি সংরক্ষণে সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছর ন্যাচারাল কনজারভেশন ইনিশিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন অধ্যাপক ড. মনোয়ার হোসেন। আর ন্যাচার গার্ডিয়ান অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বান্দরবনের মেনঙি ম্রো।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলার পরিবেশক হিসেবে ছিল জিএম হোল্ডিংস লিমিটেড ও নূর ইকো ব্রিকস। বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ মেলা সরাসরি প্রচার করে চ্যানেল আই।

আজকালের খবর/এসএ



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : আজিজ ভবন (৫ম তলা), ৯৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ফোন : +৮৮-০২-৪৭১১৯৫০৬-৮।  বিজ্ঞাপন- ০১৯৭২৫৭০৪০৫, ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সাকুলের্শন- ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com