শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭
স্বপ্ন যত দূরেই থাকুক, চেষ্টা থাকলে ছোঁয়া যায়: গাজী নুরুন নাহার
Published : Tuesday, 5 December, 2017 at 5:38 PM, Update: 06.12.2017 11:21:22 AM

স্বপ্ন যত দূরেই থাকুক, চেষ্টা থাকলে ছুঁয়ে দেখা যায়। স্বপ্ন ছোঁয়ার লড়াই একজন পুরুষের জন্য যতটা সহজ, নারীদের জন্য এখনও ততটা হয়ে উঠেনি। তবে কিছু উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা অনেকটাই এগিয়ে গেছে- এমনটাই জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক ডক্টর গাজী নুরুন নাহার। আজকালের খবরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি নারীদের নিয়ে আশার কথা বলেছেন। জানিয়েছেন, ভেঙে-চুড়ে নিজের জীবনে নতুন কিছু গড়ার গল্প। গাজী নুরুন নাহারের সঙ্গে কথা বলেছেন  মনিরা আক্তার শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ

কী কাজ করেন তিনি?
বিজ্ঞানী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাজী নুরুন নাহার কাজ করছেন ১২ বছর ধরে।  এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণ রসায়ন বিভাগে পড়া শেষ করে চাকরিতে যোগ দেন ২০০৫ সালে। এখন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রে প্রধান বৈজ্ঞানিক হিসেবে কাজ করছেন। তার কাজের বিষয়গুলো কী?

নুরুন নাহার বলেন, ‘আমাদের গবেষণাগারে থ্যালাসেমিয়া প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার কাজ হয়। এটি শনাক্ত করতে মিউটেশননির্ভর মার্কার তৈরি করি।’

দেশে থ্যলাসেমিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলছে। এ ধরণের রোগীকে চিকিৎসা দিতে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। অথচ একটু সচেতন হলেই মরণঘাতি এ রোগ থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করা সম্ভব বলে জানালেন ড. নাহার।

থ্যালাসেমিয়া বংশগত রোগ। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা এবং মা উভয়ের অথবা যে কোনো একজনের থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে সন্তান এতে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিনের অভাব থাকে। অথবা রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতা থাকে। কম আক্রান্ত রোগীর অনেক সময় চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু রোগের আক্রমণ বেশি মাত্রায় হলে রোগীকে নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। থ্যালাসেমিয়া রোগের ধরণ ও তীব্রতার ওপর উপসর্গ দেখা দেয়। এগুলোর মধ্যে শরীর দুর্বল ও ফ্যাকাশে দেখানো, শ্বাসকষ্ট, শরীরের বৃদ্ধি কমে যাওয়া, পেট ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া উল্লেখযোগ্য।

ডক্টর নাহার জানালেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণাগারে থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করতে জিনের ‘মিউটেশন’ভিত্তিক বায়োমার্কার তৈরি করা হয়েছে। এটি দিয়ে যে কোনো থ্যালাসেমিয়া রোগীর রোগ কম মূল্যে শনাক্ত করা যায়। এই সেবা পেতে যে কেউ এখানে যেতে পারেন।

এই কাজেই কি তিনি আসতে চেয়েছিলেন?
না, বড় হয়ে বিজ্ঞানী হবেন- এমন আশা কখনও করেননি গাজী নুরুন নাহার। ছোটবেলায় ইচ্ছে ছিল ডাক্তার হওয়ার। বাবা-মাও তাই চেয়েছিলেন। বাবা গাজী নুরুন নেওয়াজ ছিলেন গণস্বাস্থ্যের প্রকৌশলী। মা আফরোজা আক্তার বানু ঘরের কাজ করতেন। বাবা এবং মা দুজনে মামাতো-ফুপাতো ভাইবোন। দুজনের বাড়িই গাজীপুর। থাকতেন ঢাকার নয়া পল্টনে। সেখানেই নুরুন নাহারের বেড়ে ওঠা। বাড়তে গিয়ে শৈশবে তার বাড়-বাড়ন্ত কতটা ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুন নাহার বলেন, ‘তেমন বাড়-বাড়ন্ত ছিল না। আমি খুব দুষ্টুও ছিলাম না, একেবারে শিষ্টও ছিলাম না। তবে মনের আনন্দেই পড়ালেখাটা করেছি। আবার পরিবারের নিয়ম-কানুনও অনুসরণ করেছি। মায়ের কড়াকড়ি ছিল। ঠিক সময় পড়তে বসতে হতো। হোমওয়ার্ক করতাম। বাবা চাইতেন রাত ৮টার খবর যেন পরিবারের সবাই মিলে দেখি। খবর দেখার পর প্রায় সময়ই ইংরেজি ছবি দেখতাম।’

ইশকুলবেলা
ইশকুলবেলার একটা অংশ কেটেছে ভিকারুন নিসা নূন স্কুলে। অষ্টম শ্রেণি পার হয়ে নবম শ্রেণিতে তিনি ভর্তি হলেন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলে। সেখান থেকেই এসএসসি পাস করেন ১৯৮২ সালে। পরে ভর্তি হন বেগম বদরুন্নেসা কলেজে। এর পরের ইতিহাস একটু অন্যরকম। সাধারণ হিসেবে এইচএসসি পাস করার পরই নিজের চাওয়া-পাওয়ার একটা হিসাব মেলাতে হয়। তিনিও মিলিয়েছিলেন, ছোটবেলার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা ছুঁতে চেয়েছিলেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। কিন্তু তিনি কি ডাক্তার হতে পরেছেন!

ডাক্তারদেরও ডাক্তার
না, তিনি ডাক্তার হননি। হয়েছেন বিজ্ঞানী। এমন একটি বিষয়ে গবেষণা করছেন, যা ডাক্তারদের জন্য দরকারি। অনেক ডাক্তার সেটা করতে পারেন না। এর পেছনে আছে একটা গল্প। শুনুন ডক্টর নাহারের কাছেই, ‘আমার বড় ভাই গাজী নুরুন নবী। তিনি ছিলেন ডাক্তার। এখন বেঁচে নেই। ৩৬ বছর বয়সে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। সেই ভাইটি আমার, চাননি আমি ডাক্তার হই। আমি যখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হই, তখন তিনি বিরোধিতা করেন। বলেন, তোকে ওখানে ভর্তি করাব; কিন্তু পড়তে দেব না। সত্যিই তাই হলো। তিনি চাইতেন আমি ডাক্তারদেরও ডাক্তার হই। তার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেছেন, এ পেশায় নাকি নতুন কিছু খুব কম, ভালো ডাক্তার না হলে দাম নেই। তাই আমাকে অন্যকিছু নিয়ে পড়তে হবে। মানুষকে নতুন কিছু দেওয়া যায়, এমন কাজ করতে হবে। মেডিকেলে তিন মাস ক্লাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দিল। আমি সোজা এসে ভর্তি হলাম প্রাণ রসায়ন বিষয় নিয়ে।’

আপত্তি-অনাপত্তি
ডাক্তারি পড়া ছেড়ে প্রাণ রসায়নে ভর্তি হতে চাওয়ার সিদ্ধান্তে পরিবারের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, ‘না, আমার পরিবার আমার মতামতকে গুরুত্ব দিত। আমিও ভাইয়ের কথায় প্রভাবিত হয়েছিলাম।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগে ১৯৮৮ সালের ব্যাচে ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে পাস করে বের হন আরও তিন বছর পর ১৯৯১ সালে। পরে জাপান সরকারের পূর্ণবৃত্তি নিয়ে পিএইচডি করতে জাপান চলে যান। সেখানে ছত্রাকের জেনেটিক চরিত্র নিয়ে এমফিল ডিগ্রি নেন। ১৯৯৬ সালে ফিরে আসেন ঢাকায়। এর পর কাজ শুরু। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন ডাক্তারদের ডাক্তার।

একজন নারী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন ড. নুরুন নাহার। একজন নারী হিসেবে তার এ অবস্থানে আসাটা কতটা সহজ ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সুক্ষ্মভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কিছু বৈষম্য ছিল। কিন্তু একজন নারী হিসেবে আমাকে তেমন কোনো বেগ পোহাতে হয়নি। লক্ষ্য স্থির থাকলে নারীরা সূক্ষ্ম বৈষম্যগুলো উপেক্ষা করতে পারে। নারীদের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার শিক্ষা, লক্ষ্য ও ব্যক্তিত্ত্ব এগুলোর মাঝে সমন্বয় থাকলে সব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। এছাড়া নিজের অধিকার সম্পর্কে নারীদের সম্মিলিত হয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রচলিত ধারণার বাইরে
প্রচলিত ধারণা- নারীরা গবেষণার জন্য খুব একটা উপযুক্ত নন। কিন্তু ড. নাহার সেটা মনে করেন না। তিনি বলেন, ‘নারীরাই বরং গবেষণায় অনেক ভালো করতে পারে। আমি মনে করি, গবেষণার প্রথম ধাপ কাজের প্রতি গভীর আসক্তি, পরবর্তী ধাপ সেটাকে পূর্ণতা দেওয়া। নারীদের ক্ষেত্রে প্রচলিত উক্তি আছে যে, তারা কঠিন চাপের মধ্যে কাজ করতে পারে। গবেষণার কাজে সবসময়ই চাপ নিতে হয়, দ্রুত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হয়। এক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের চেয়ে বেশি সক্ষম।’

তিনি বলেন, ‘গবেষণার ক্ষেত্রে আরেকটি প্রচলিত কথা আছে- সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ। যেটাতে নারীরা অনেক বেশি সক্রিয়। এসব দিক বিবেচনা করলে তারা মোটেই পিছিয়ে নেই। অবশ্য পরিবেশ পরিস্থিতি একটি বড় ব্যাপার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই বেশ কয়েকজন নারী উদাহরণ তৈরি করেছেন।’

দেশের মানুষের জন্য
‘আমার গবেষণার কাজটি দেশের মানুষের জন্যই করছি। পপুলেশন জেনেটিকের ওপর কাজ করছি।’ বলেন ড. নাহার। তিনি জানান, এই গবেষণা কেন্দ্র থেকে দেশের মানুষ সেবা নিতে পারে। খরচ খুবই কম। থ্যালাসেমিয়া হয়েছে কিনা, এমন পরীক্ষা করানোর জন্য মানুষ এখানে আসতে পারে। এই রোগ শনাক্ত করার জন্য তাদের যে প্রযুক্তি সেটি বাংলাদেশের মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপরই তৈরি করা হয়েছে। অন্য যেসব স্থানে পরীক্ষা করা হয়, ওসব মার্কারের প্রযুক্তি পাশ্চাত্য দেশের জিনের ওপর তৈরি করা, যার মাধ্যমে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রোগ শনাক্ত করা যায় না। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠির জেনেটিক স্বাক্ষর নিয়ে আগে তেমন কোনো কাজ হয়নি, অথবা খুব অল্প কাজ হয়েছে। যে কারণে রোগের জিন নিয়ে কাজ করতে গেলে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠির জেনেটিক তথ্য পাওয়া যেতো না। আমাদের এই কাজটির মাধ্যমে মানব বিবর্তনের ধারণাও পাওয়া যায়। কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে কি প্রকার জিনের বিবর্তন হয়েছে, তা জানা যায়। একি সঙ্গে হিউম্যান মাইগ্রেশন রুটের সঙ্গে জেনেটিক রোগের বিস্তার সম্পর্কেও জানা যায়। মানুষ নিয়ে যে কোনো গবেষণার প্রাথমিক স্তরটি হলো জনগোষ্ঠির জেনেটিক স্বাক্ষর সম্পর্কে ধারণা থাকা। আমাদের গবেষণা কেন্দ্রে ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা যায়। সন্তান ও বাবা মায়ের পরিচয় শনাক্ত করা যায়।’  

নুরুন নাহার বলেন, ‘আমরা এটাকে পরিচিত করানোর চেষ্টা করছি। ভালো সাড়া পেলে আমাদের ক্যাপাসিটিও বাড়াতে হবে।’

সীমাবদ্ধতা
গবেষণার জন্য যা যা প্রয়োজন, বাংলাদেশে কি তার সব উপকরণ আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুন নাহার বলেন, ‘সবকিছু সহজলভ্য নয়। কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যে মানের গবেষণা করতে চাই, সেই ধরনের ফান্ড পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া যে কোনো কেমিক্যাল বা যন্ত্র কিনতে বা সংগ্রহ করতে সরকারি জটিল নিয়ম-কানুনের ধকল নিতে হয়। গবেষণার জন্য এ বিষয়গুলো আরও সহজ করা দরকার। এছাড়া অনেক সময় সরকারি-বেসরকারি অনেক হাসপাতাল থেকে সহযোগিতা নিতে হয়। কিন্তু তারা তেমন কো-অপারেটিভ নন। আমাদের এখানে পরীক্ষার ভালো মানের সুযোগ থাকলেও হাসপাতালগুলো এখানে রোগী রেফার করে না। এক্ষেত্রে কিছু বেসরকারি সংস্থা সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। বিদেশ থেকে কিছু তহবিল পাই। ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সঙ্গে আমরা একটা চুক্তি করতে পেরেছি। প্রতিষ্ঠানটি কিছু সহযোগিতা করছে। টিডব্লিওএএস (থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমিক সায়েন্স) নামের একটি সংস্থাও কিছু তহবিল দিয়েছে।’

পুলিশের গোয়েন্দা শাখায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার এ সময়ের মধ্যেই তিনি কিছুদিন পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (সিআইডি) ডেপুটেশনে ছিলেন। ২০১২ সালের জুন থেকে ১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে। তার কাজ ছিল একটি ফরেনসিক ল্যাব তৈরি করা। পুলিশে কাজ করতে গিয়ে নারী হিসেবে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে কিনা, জিজ্ঞেস করা হলে ড. নাহার বলেন, ‘আমি পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী তাদের ল্যাব তৈরি করে দিয়েছি। কোনো সমস্যা হয়নি। এক সিনিয়র আমার কাজে ভালো সাপোর্ট করেছেন। ওনি সবসময় অন্যদের আমার কনসার্ন নেওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দিতেন।’

রঙিন চশমা
বিজ্ঞানী মানেই, তার চশমার দরকার হয়। ড. নাহারও চশমা পরেন। গবেষণার কাজে চোখের কিছুটা তো ক্ষতি হয়ই। এ চশমাটা তিনি কখন থেকে চোখে দিচ্ছেন?

‘চশমা নিয়েছি কলেজ লাইফ থেকে। কিন্তু ইশকুলে থাকতেই আমার কাছে মনে হয়েছিল, চোখে কম দেখি। বোর্ডে টিচার ‘অঙ্ক’ করাতেন। সবাই মনোযোগ দিয়ে করত। কিন্তু আমি দেখতে পেতাম না। পাশেরজনের খাতা দেখে লিখতে হতো। অনেক সময় টিচার ভাবতেন, আমি নকল করছি। বাবাকে সমস্যার কথা বললাম। তিনি ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে বলতো কোনো সমস্যা নেই। আপনার মেয়ের রঙিন চশমা পরার শখ হয়েছে।’ কালো ফ্রেমে স্বচ্ছ চশমা চোখে হাসতে হাসতে বললেন ড. নাহার।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : আজিজ ভবন (৫ম তলা), ৯৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ফোন : +৮৮-০২-৪৭১১৯৫০৬-৮। বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭৮৭-৬৮৪৪২৪, ০১৭৯৫৫৫৬৬১৪, সার্কুলেশন : +৮৮০১৭৮৯-১১৮৮১২
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com