বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য প্রতিবছর ভারতের ক্ষতি ৫,৩০০ কোটি ডলার
অনলাইন ডেস্ক
Published : Tuesday, 19 September, 2017 at 6:08 PM, Update: 19.09.2017 6:11:57 PM

পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতার অভাবে প্রতিবছর ভারতের ৫,৩৮০ কোটি ডলার ক্ষতি হচ্ছে। এর মধ্যে পানিবাহিত রোগ চিকিৎসার পেছনে যে ব্যয় হয় তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইউনিসেফ এ তথ্য জানায়।

ইউনিসেফ’র পনি, পয়ঃনিস্কাষণ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক মুখ্য কর্মকর্তা নিকেলাস অসবাট গত সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, “পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে গিয়ে ভারতকে বড় ধরনের মূল্য দিতে হচ্ছে: ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে দেখা যায় যে অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতার কারণে প্রতিবছর ভারতের অর্থনীতিতে ৫,৩৮০ কোটি ডলার ক্ষতি হচ্ছে, যা একই সময়ে ভারতের জিডিপি’র ৬.৪ শতাংশের সমান।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের “শৌচ হ্যায় সেবা” বা “পরিচ্ছন্নতাই সেবা” শীর্ষক প্রচারণা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে অসবার্ট ওই তথ্য প্রকাশ করেন। গত শুক্রবার কানপুরের ঈশ্বরগঞ্জ গ্রামে প্রেসিডেন্ট রাম নাথ কোবিন্দ এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই গ্রামটিকে সম্প্রতি উন্মুক্ত স্থানে মল ত্যাগের অভ্যাসমুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)’র এক গবেষণার বরাত দিয়ে অসবার্ট বলেন, অপরিচ্ছন্নতার কারণে মানব জীবনের ক্ষতি একটি বড় বোঝার মতো। বিশ্বে পাঁচবছরের কম বয়সী যত শিশু ডায়রিয়ায় মারা যায় তার ২২ শতাংশের মৃত্যু ঘটে ভারতে।

হু’র হিসেবে বলা হয় যে ২০১৫ সালে ভারতে ডায়রিয়ায় পাঁচ বছরের কম বয়সী ১,১৭,০০০ শিশু মারা যায়। এর মানে হলো প্রতি ঘন্টা ১৩টি শিশু মারা যায়।

উন্মুক্ত স্থানে মল ত্যাগের কারণে শিশুরা সংক্রামিত হওয়ায় তাদের পুষ্টি পরিশোধন ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে দেশটির ৩৯ শতাংশ শিশুদেহের সঠিক বৃদ্ধি হয় না।

জাতিসংঘ কর্মকর্তা বলেন যে, উন্মুক্ত মল ত্যাগের অভ্যাস বন্ধ করতে ভারত সরকারের শৌচ ভারত অভিযান ‘এক-প্রজন্মে-একটি’ আন্দোলনের মতো।

ইউনিসেফের একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করেন তিনি বলেন, ভারতের ১২টি রাজ্যে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ১০,০০০ পরিবারের ওপর একটি জরিপ চালানো হয়। এতে দেখা যায় ৮৫ পরিবার পায়খানা ব্যবহার করছে। উন্মুক্ত মলত্যাগের অভ্যাসমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা গেলে প্রতি পরিবারের বছরে ৫০,০০০ রুপি সাশ্রয় হতো।

ইউনিসেফ কর্মকর্তা এ জন্য আচরণ পরিবর্তন চেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেন। তবে তিনি বলেন যে, আচরণ পরিবর্তন একটি জটিল বিষয়। এর জন্য সরকারের পাশাপশি, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, এবং মিডিয়ার সম্মিলিত জোরদার ভূমিকা পালন করতে হবে।- সংবাদসংস্থা

আজকালের খবর/এসএ



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : আজিজ ভবন (৫ম তলা), ৯৩ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ফোন : +৮৮-০২-৪৭১১৯৫০৬-৮। বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭৮৭-৬৮৪৪২৪, ০১৭৯৫৫৫৬৬১৪, সার্কুলেশন : +৮৮০১৭৮৯-১১৮৮১২
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com