বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
নওয়াজের বহিষ্কারে গণতন্ত্র জোরদার হয়েছে
ইমরান খান
Published : Friday, 11 August, 2017 at 4:52 PM, Update: 11.08.2017 4:58:15 PM

ইমরান খান পাকিস্তানের রাজনীতিতে নবাগত বলা চলে। জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন খান নব্বই-এর দশকের শেষের দিকে রাজনীতিতে আসেন ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) বা ‘ন্যায়ের জন্য আন্দোলন’ দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ইমরান খানকে পাকিস্তানের চিরকালের সেরা ক্রিকেটারদের  মধ্যে গণ্য করা হয়।  তারই নেতৃত্বে পাকিস্তান ১৯৯২ সালে প্রথমবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতে।  খানকে রাজনীতিক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে কিছুটা সময় দিতে হলেও, আজ তিনি পাকিস্তানি রাজনীতির প্রাঙ্গণে একজন ‘কি প্লেয়ার’।

খানের পিটিআই দল ২০১৩ সালের মে মাসের সংসদীয় নির্বাচনে তৃতীয় স্থান অধিকার করে; আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী উত্তর-পশ্চিমের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশও তার দলের শাসনে। তিনি চান যে, ইসলামাবাদ সরকার মার্কিন প্রশাসনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ওয়াশিংটনের সঙ্গে জোট সহযোগিতা বাদ দিয়ে তেহরিক-ই-তালিবান (টিটিপি) গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি স্থাপন করুক।

খানের পিটিআই দলের কর্মসূচি পাকিস্তানের মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি বড় অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য, কেননা খান দুর্নীতি প্রতিরোধ ও রাজনৈতিক জবাবদিহিতা প্রভৃতি প্রসঙ্গের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে থাকেন। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে ইমরান খানের একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছে। সাক্ষাৎকারটি আজকালের খবরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-



প্রশ্ন:
নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য অনুপযোগী ঘোষিত হওয়ার পর পাকিস্তানে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।  তাদের এই উদ্বেগ কি যুক্তিযুক্ত?

ইমরান খান: ওই উদ্বেগ পুরোপুরি অযৌক্তিক, কেননা পাকিস্তান গণতন্ত্রের দিকে এগোচ্ছে। গণতন্ত্রের ধারক হলো স্বচ্ছতা, নেতৃবর্গের জবাবদিহিতা, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, নিরপেক্ষ মিডিয়া ও নিরপেক্ষ বিচারবিভাগ।  সব কয়টি উপাদানই পাকিস্তানে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে, বলে আমি দেখতে পাচ্ছি।  গণতন্ত্রের পরিবর্তে পাকিস্তানে এতদিন চৌর্যতন্ত্র চলেছে। কিন্তু এখন অবস্থার উন্নতি ঘটছে।  পাকিস্তানের ইতিহাসে এই প্রথম একজন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীকে কালো টাকা সাদা করা, দুর্নীতি ও নথি জাল করার দায়ে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে।

কিছু কিছু মানুষ শুধু টাকা করার জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতা পাবার চেষ্টা চালিয়ে এসেছেন।  যখনই সেনাবাহিনী দেশের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়েছে, তখনই জনগণ হর্ষ প্রকাশ করেছে। কিন্তু এবার সেনাবাহিনী সক্রিয় হচ্ছে না। আমার মতে নওয়াজ শরিফের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর গণতন্ত্র আরো জোরদার হবে।  যিনিই ক্ষমতায় আসুন, দুর্নীতিতে লিপ্ত হবার আগে তিনি দুবার ভেবে দেখবেন।

প্রশ্ন: পাকিস্তানের উদারপন্থিরা ছাড়া পশ্চিমের বহু রাজনৈতিক ভাষ্যকারও প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের অপসারণকে একটি ‘বিচারবিভাগীয় অভ্যুত্থান’ বলে অভিহিত করেছেন।  দেশের শক্তিশালী সেনাবাহিনী শরিফকে বিতাড়নের জন্য আপনাকে ও আপনার পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলকে ব্যবহার করেছে, এমনই ধারণা তাদের।  এ বিষয়ে আপনার কী বক্তব্য?

ইমরান: ওটা একটা রসিকতা।  আমি জানি না কারা নিজেদের উদারপন্থি বলে আর এ ধরনের বোকা বিবৃতি দেয়।  প্রথমত, শরিফের নিজের হাতে এই সেনাপ্রধান নির্বাচিত হয়েছেন; এছাড়া মাত্র গত ডিসেম্বর মাসে শরিফ পকিস্তানের চিফ জাস্টিসের নিয়োগকে সহর্ষ অভিনন্দন জানিয়েছেন।  এরা দু'জনে মিলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় অভ্যুত্থান করতে যাবেন কি কারণে?

শরিফ পানামা পেপার্স বা পানামা লিক নামের একটি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন।  যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীকেও ব্যাখ্যা করতে হয়েছে, পানামা লিকে তার নাম ঢুকল কী করে? আমরা, পাকিস্তানের বিরোধীদলেরাও শরিফের কাছে তার আয়ের ব্যাখ্যা চেয়েছি, বিশেষ করে যখন সেই আয়ের সঙ্গে একাধিক অফশোর কোম্পানি সংশ্লিষ্ট যারা দৃশ্যত লন্ডনে একাধিক বিলাসবহুল আবাসনের মালিক।

সুপ্রিম কোর্টের দু’টি বেঞ্চ যে সব প্রশ্নের উত্তর চেয়েছে, শরিফ তার জবাব দিতে পারেননি।  বিষয়টির তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারা গঠিত জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিটি (জেআইটি)-র কাছেও শরিফ তার আয়ের উৎস প্রমাণ করতে পারেননি।  (প্রমাণ দেখাতে) ব্যর্থ হবার পর উনি আদালতের কাছে ওনার আয়ের উৎস সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলেছেন।  উনি জাল নথিপত্র দাখিল করেছেন।  কাজেই এটাকে বিচারবিভাগীয় অভ্যুত্থান বলাটা কীভাবে সম্ভব?

বস্তুত ইতিহাসে এই প্রথমবার আমরা পাকিস্তানের চিফ অফ আর্মি স্টাফকে দুইবার প্রকাশ্যভাবে ঘোষণা করতে শুনেছি যে, সেনাবাহিনী পাকিস্তানের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে সমর্থন করে।  (পশ্চিমি) বিশ্লেষকরা যা বলছেন , তা দুর্নীতি মামলায় ধরা পড়ার পর নওয়াজ শরিফের অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়।

প্রশ্ন: আপনার দুর্নীতি বিরোধী অভিযান ছিল শুধু রাজনীতিকদের লক্ষ্য করে।  পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের দুর্নীতি বা দেশের শিল্পসংস্থাগুলির দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপনি কোনো আন্দোলন শুরু করেননি কেন?

ইমরান: জেনারেল পারভেজ মুশাররফ ক্ষমতায় থাকাকালীন আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছি।  মুশাররফের আমলে আমিই ছিলাম একমাত্র রাজনীতিক, যাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল।  আমি যে ওদের বিরুদ্ধে কখনো কিছু বলিনি, তা সত্য নয়।  কিন্তু বর্তমানে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক সরকার আছে, সেই সরকারপ্রধান, এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী হলেন ওদের (আর্মি জেনারেলদের) কাছে জবাবদিহি চাওয়ার মূল কর্তৃপক্ষ।

আমি জেনারেলদের জবাবদিহিতা দাবি করব কি করে, যখন দেশের মুখ্য প্রশাসনিক ক্ষমতা একজন বেসামরিক ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত? কাজেই আমি সেই মুখ্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তির বিরুদ্ধেই অভিযান চালিয়েছি, যিনি দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়ে পড়েছেন।

প্রশ্ন: সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সামরিক একনায়ক পারভেজ মুশাররফ একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, মিলিটারি জেনারেলদের চেয়ে রাজনীতিকরাই পাকিস্তানের বেশি ক্ষতি করেছেন।  মুশাররফের বিরুদ্ধেও আদালতে একাধিক মামলা ঝুলছে।  কিন্তু সে সব মামলা সম্বন্ধে আপনি অথবা আপনার দলের কর্মকর্তারা বিশেষ কিছু বলেন না কেন?

ইমরান: জেনারেল মুশাররফ যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আমি তার বিরুদ্ধে কথা বলেছি।  আসিফ আলি জরদারি যখন ক্ষমতায় আসেন তখন আমি তাকে মুশাররফকে দায়ী করতে বলেছিলাম কেননা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু জারদারি কোনো আগ্রহ দেখাননি।  আপনাদের যে প্রশ্নটা করা উচিত, সেটা হলো: শরিফ মুশাররফের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি কেন?

শরিফ যখন ক্ষমতায় ছিলেন না, তখন তিনি মুশাররফকে দায়ী করার কথা বলতেন।  কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবার পর তিনি কিছুই করেননি।  আমরা তাকে বলতে শুনতাম যে, তিনি মুশাররফ আর জরদারিকে দায়ী করবেন। কিন্তু ওসব ছিল শুধু মুখের বুলি।

প্রশ্ন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে আপনি পশ্চিমের সঙ্গে – বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক কামনা করবেন?

ইমরান: আমার মতে পাকিস্তানের সবসময়েই সুসম্পর্ক থাকা উচিত, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে অর্থাৎ ইরান, আফগানিস্তান, ভারত ও চীন – তারপর পশ্চিমের সঙ্গেও সম্প্রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা দরকার।  আমরা চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই কেননা পাকিস্তানের সমৃদ্ধি নির্ভর করছে চীনের ওপর।  বেইজিং তার চায়না-পাকিস্তান ইকনমিক করিডর (সিপিইসি) প্রকল্পের মাধ্যমে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে।

ইইউ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও পাকিস্তানের মুখ্য বাণিজ্যিক সহযোগীদের মধ্যে গণ্য এবং আমি তাদের সাথেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সমর্থন করব।

প্রশ্ন: আপনি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে তালেবানের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা কামনা করেন, যে জন্য অনেকে আপনার সমালোচনা করে থাকে।  আপনি সন্ত্রাসী আক্রমণের জন্য জিহাদি গোষ্ঠীগুলির নিন্দা করতে প্রস্তুত নন এবং ওইসব আক্রমণের জন্য আফগানিস্তানে মার্কিন হস্তক্ষেপকে দায়ী করে থাকেন।  আপনি কি সত্যিই মনে করেন না যে, পাকিস্তানের সামরিক মহল আফগানিস্তান ও কাশ্মিরে কিছু ইসলামপন্থি গোষ্ঠীকে সমর্থন করছে, অথবা পাকিস্তানে ইসলামি কার্যকলাপের প্রসঙ্গটি আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লেষের চেয়ে অনেক বেশি পুরনো?

ইমরান: এগুলো শুধু তাদের অভিযোগ, যারা জিহাদি আন্দোলন বা তালেবান অথবা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে কি ঘটছে, সে ব্যাপারে কিছু বোঝে না। সামরিক সমাধান ব্যর্থ হয়েছে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তালেবানের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে চায়, কেননা ওয়াশিংটন সামরিক পন্থায় আফগানিস্তানে ইতিবাচক ফলাফল অর্জন করতে পারেনি।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে কোটি কোটি ডলার খরচা করেও সাফল্য পায়নি। আপনারা জানেন যে, সোভিয়েত অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স ও মার্কিন সেন্ট্রাল ইন্টলিজেন্স এজেন্সি মিলে এই জিহাদি সংগঠনগুলোকে সৃষ্টি করে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার পর ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চলে যাওয়ার পর পাকিস্তান এই জিহাদি সংগঠনগুলিকে নিয়ে একা পড়ে থাকে। নাইন-ইলেভেনের আক্রমণের পর ওয়াশিংটন এই জিহাদি গোষ্ঠীগুলিকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তাদের ধাওয়া করতে শুরু করে – ঠিক যে মানুষগুলোকে ওরা একদিন ‘হিরো’ বলে বাহবা জানিয়েছিল।

পাকিস্তান এই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে একটি ‘ফ্রন্টলাইন স্টেট’ হয়ে দাঁড়ায়।  পাকিস্তানকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে; আমরা এই যুদ্ধে ৭০,০০০ মানুষ হারিয়েছি, যদিও এই যুদ্ধের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্কই নেই।  আমার মতে আমাদের এই যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত।

প্রশ্ন: সবশেষে আপনি ভারতের সঙ্গে কী ধরনের সম্পর্ক চান? পাকিস্তানের কোনো প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের চেষ্টা করলেই তিনি সামরিক মহলের রোষে পড়েন, বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। আপনি কি মনে করেন যে, প্রধানমন্ত্রী হলে আপনি পাকিস্তানের বিদেশনীতি ও প্রতিরক্ষা নীতি পুরোপুরি বেসামরিক নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন?

ইমরান: ওটা স্রেফ প্রপাগান্ডা।  অতীতে হয়তো তা হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু আজ পাকিস্তানের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে যে, ভারতের সঙ্গে শান্তি বিরাজ করা উচিত।  সকলেই জানে যে, ভারতে এখন এক হিন্দু সাম্প্রদায়িকতাবাদী, নরেন্দ্র মোদি শাসন করছেন। ওর একমাত্র কর্মসূচি হলো পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করা।  এভাবে আমরা শান্তি স্থাপন করতে পারি না।  ভারতে যা কিছু ঘটুক, মোদি তার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেন। ওনি কখনো শান্তি প্রক্রিয়ায় সামিল হবার কথা ভাবেন না, শুধু তাকে বানচাল করতে চান।

এছাড়া উনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাশ্মিরে সন্ত্রাসবাদে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করে থাকেন, কিন্তু তা সত্য নয় কেন না মোদি সরকার স্বয়ং একটি স্থানীয় আন্দোলনের বিরুদ্ধে নির্মম সহিংসতা প্রয়োগ করছেন।  সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ী ওই একই রাজনৈতিক দল বিজেপির সদস্য হলেও, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি সবসময় শান্তির ধাণাটিকে সমর্থন করে এসেছেন।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : সুমনা গণি ট্রেড সেন্টার, (৪ তলা) প্লট-২, পান্থপথ (সার্ক ফোয়ারা মোড়), ঢাকা।
ফোন : ০২-৫৫০১৩২১৪ ফ্যাক্স : ০২-৫৫০১৩২১৫, বিজ্ঞাপন : ০১৭৮৭৬৮৪৪২৪, সার্কুলেশন : ০১৭৮৯১১৮৮১২
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhoborbd.com, www.eajkalerkhobor.com