বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন, ২০১৭
সোনার দুল
শিকদার আবদুস সালাম
Published : Friday, 16 June, 2017 at 5:05 PM

সোনার দুল

হাতকড়া পরানো লোকটাকে অনেকটা টানাহেচঁড়া করেই আমার সামনে এনে দাঁড় করাল হাবিলদার আমির হোসেন। ওর সঙ্গী আরো দুজন, কনস্টেবল আবু কালাম ও কনস্টেবল নওশের আলী। ওরা সবাই বাজার এলাকায় দিবাকালীন টহল ডিউটিতে নিয়োজিত।

‘কী করেছে লোকটা?’ জানতে চাইলাম আমি।

‘জুয়া খেলেছে, স্যার।’ স্যালুট করে জবাব দেয় হাবিলদার আমির হোসেন।

‘জুয়াড়ি?’ ছোট্ট প্রশ্ন করে আমি চোখ রাখি হাবিলদার আমির হোসেনের চোখে।

‘জ্বী, স্যার। পাক্কা জুয়াড়ি। আজ হাতেনাতে ধরা পড়েছে। জোচ্চোরটার দখল থেকে খেলার তাস আর কিছু টাকাও উদ্ধার হয়েছে, স্যার। আর রিকশা-ভ্যান গাড়ির ওপর যে গামছা বিছিয়ে জুয়া খেলছিলো তাও জব্দ করেছি, স্যার।’ বললো হাবিলদার আমির হোসেনে।

আমি লোকটার আপাদমস্তক এক পলক দেখে নিলাম। অবয়বে খেটে খাওয়ার ছাপ পষ্ট। পুরনো একটি হাফশার্ট গায়ে। পরনের রংচটা লুঙ্গিটাও ভীষণভাবে নোংরা আর পুরনো। তাতে সাবান সোডা পড়েনা কতোদিন বলা মুশকিল। নিজের হাতে পরানো হাতকড়ার দিকে তাকিয়ে আছে সে। অপল সেই চাহনি।

‘ওই মিয়া, কী নাম তোমার?’ আটক ব্যক্তির নাম জানতে চাইলাম আমি।

‘শানু।’ ছোট্ট উত্তর লোকটার মুখে।

‘শানু! আর তাই তো জুয়াখেলায় ঝানু।’ খানিকটা রসিকতা করতে ছাড়লাম না আমি।

‘স্যার, আমি খেঁটে খাওয়া গরিব মানুষ। রিকশা-ভ্যান চালাইয়া মুখের আহার জোগাই। দুইবেলা ঠিক মতো খাইতেও পাই না। জুয়া খেলামু কী দিয়া?’ বলে শানু।

‘তবে কী পুলিশ তোমাকে খামোখা ধরে এনেছে? ওরা কি মিথ্যা বলছে?’ জানতে চাইলাম আমি। উত্তর দিতে খানিকটা সময় নিলো শানু। বোঝা গেলো কিছু একটা ভাবছে। তারপর মুখ খুলে ও।

‘না, স্যার। পুলিশ স্যারেরা মিছা কথা কয় নাই।’ বলেই জিহŸা দাঁতে কামড়ে ধরে মা-কালির মতো দাঁড়িয়ে থাকলো কিছুক্ষণ। তারপর মাথা ঘুরিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্যদের দিকে চোখ ফেরায় শানু। বুঝতে আমার আদৌ কষ্ট হলো না গ্রেফতারকৃত শানু কৌশলে কথা বলে ওকে গ্রেফতারকারী টহল দলের পুলিশ সদস্যদের মন জয় করার চেষ্টা করছে। যেমনটা করে থাকে অনেকেই। কিন্তু তাতে লাভ হলো না।

হাবিলদার আমির হোসেন নিজের প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনে পুরনো এক বান্ডিল তাস ও আগোছাল কিছু টাকা। উদ্ধার করা টাকা, তাস ও একটি পুরনো গামছা আলামত হিসেবে রাখে টেবিলের ওপর আমার সামনে। তাসগুলো খুবই পুরনো যা খেলার উপকরণ হিসেবে প্রায় অনুপযোগী। আর উদ্ধার করা টাকা মাত্র আঠারটি। দুই টাকার চারটি কয়েন আর পাঁচ টাকার কাগজের নোট দুটি, সর্বসাকুল্য আঠার টাকা মাত্র।

‘এ তো মাত্র আঠার টাকা। এত অল্প টাকায় কী জুয়া খেলছিলো ওরা?’ খানিকটা সন্দেহসিক্ত কণ্ঠে জানতে চাই আমি।

‘স্যার, হয়তো-বা আরো বেশি টাকা ছিল।’ বলে টহল কমান্ডার হাবিলদার আমির হোসেন। ‘ওরা মোট চারজন ছিলো।’ সেই সঙ্গে আরো যোগ করে, ‘আমাদের দেখে ওর তিন সহযোগী দৌড়ে পালিয়েছে। ভারি ধুরন্ধর! ধরতে পারিনি বদমাশদের। আমার মনে হয়, ওদের কাছে হয়তো আরো বেশি টাকা ছিল, স্যার।’

‘ওদের ধরতে পারলে না কেন? তোমরা কী .... .... ।’

আমার মুখের কথা শেষ না হতেই, হঠাৎ আমার অফিস কক্ষে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়লো অশিক্ষিত এক মহিলা। পরনে জংলি ছাপার শাড়ি। গলা খালি, কান খালি আর হাতে আটপৌরে দস্তার চুড়ি। তবে নাকে ছোট্ট একটি সোনার নাকফুল। চোখেমুখে তার উৎকণ্ঠা আর উদ্বেগের ছাপ। সঙ্গে একটি কন্যাশিশু।

‘কে আপনি?’ আগন্তুকের কাছে জানতে চাই আমি।

‘স্যার, আমার নাম জয়তুন। কিছুক্ষণ আগে আপনারা যারে ধইরা আনছেন, সে আমার সোয়ামি।’ বলতে বলতে জয়তুনের চোখ পড়ে খানিকটা দূরে দাঁড়ানো হাতকড়া পরানো আর মাজায় পুলিশের দড়ি বাঁধা শানুর দিকে। জয়তুন পাগলের মতো ছুটে যায় আটক স্বামীর পাশে।

‘এ্যাই, তুমি কী করছো―কী করছো তুমি? তোমারে পুলিশে বাইন্ধা আনছে ক্যান্?’

‘আপনার গুণধর স্বামী জুয়া খেলতে গিয়ে ধরা পড়েছে।’ শানুর উত্তর দেওয়ার আগেই বলি আমি।

‘জুয়া! এ্যাইডা আমি কী হুনলাম? কী হুনলাম আমি? তুমি জুয়া খেলছো ক্যান্?’ আবেগ আর উৎকণ্ঠায় থরথর করে কাঁপছে জয়তুন। এমন ছটফট করছে যেন প্রাণ পাখিটা ওর বেরিয়ে যাবে এক্ষণে।

জয়তুনের আঁচল ধরে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে কাঁদছে ওরই শিশুকন্যাটি। বয়েস বড়জোর ছয়-সাত হবে হয়তো-বা। হাফপ্যান্ট আর জামা পরনে। চমৎকার মিষ্টি চেহারা। গায়ের রংটাও ফর্সা। মাথায় লম্বা খোলা চুল। শিশুটিও ছুটে যায় বাবার কাছে। দুহাতে জড়িয়ে ধরে বাবাকে। আহ্ বাবার জন্য কি যে মায়া ওর।

‘প্রথম বারের মতো আইজ মাফ কইরা দেওন যায়-না, স্যার? আমি আপনারে কথা দিলাম স্যার, জীবনে আর কোনোদিন জুয়া খেলবো না আমার সোয়ামি।’ পুলিশ হেফাজত থেকে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিতেই অনুরোধ করে জয়তুন।

‘না না, এখান থেকে ছেড়ে দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমরা আদালতে চালান করে দিচ্ছি, ওখান থেকেই জাবিন করিয়ে নেবেন, ঠিক আছে?’ আমার কথা শেষ না হতেই হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে জযতুন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে,

‘না স্যার, এতোটা নির্দয় অইয়েন না, স্যার। আদালতে চালান কইরা দিলে, জাবিন করাইতে পারুম না। তাছাড়া উকিল মুক্তার গো খরচ দিতে অতো টাকা কই পামু?’

আমার মায়া হলো। সড়কের পাশে দাঁড়ানো রিকশা-ভ্যান গাড়ির ওপর গামছা বিছিয়ে দুই-চার টাকা দিয়ে জুয়া খেলেছে। এই সামান্য অপরাধের জন্য মুচলেকা নিয়ে ধমক দিয়ে, আপাতত ছেড়ে দেওয়ার কথাই ভাবছি মনে মনে।

‘শুনুন।’ শানুর স্ত্রী জয়তুনকে বলি আমি, ‘এলাকার একজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আসুন। তার জিম্মায় ওর মুচলেকা নিয়ে আপাতত ওকে ছেড়ে দেওয়া যায় কিনা দেখি।’

‘গরিব মানুষ বিপদে পড়লে কেউ ফিরেও চায় না, স্যার। আমার কথায় গণ্যমান্য কেউ আসবো না, স্যার।’ বলে শানুর স্ত্রী।

‘চেষ্টা করে দেখুন তো। কেউ একজন তো আসতেও পারেন। আগেই হাল ছেড়ে দিচ্ছেন কেন? সবাই তো আর খারাপ মানুষ না।’ পাল্টা যুক্তি দেখাই আমি।

মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কন্যাশিশুটি তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে ছিল। জয়তুন তার শিশু কন্যার বাজুতে টান দিয়ে অফিস কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল। চোখ ঘসটাতে ঘসটাতে শিশুটি ওর মাকে অনুস্মরণ করলো। আমার চোখ দুটো ছুটে গেল ওদের পিছু পিছু। এক সময় ওরা হারিয়ে গেল আমার দৃষ্টির আড়ালে। আমি আবার মনোযোগ দিলাম টেবিলে রাখা দৈনিক পত্রিকার পাতায়। না, মন বসল না তাতে বেশিক্ষণ। আমি কেবলই ভাবতে থাকলাম শানু-জয়তুনের টানাপড়েন সংসার নিয়ে। স্বামীর প্রতি ওর ভালোবাসা নিয়ে। জয়তুন-শানুর টানাপড়েন সংসারের না-বলা কিছু খÐচিত্র যেন আমার চোখের সামনে ভেসে বেড়াতে লাগল। যার নীরব দর্শক কেবল আমি একাই।

‘স্যার, মহিলা ফিরে এসেছে।’ হাবিলদার আমির হোসেনের ডাকে ভাবনার সুতা ছিঁড়ে আমার। ‘কোন্ মহিলা?’ অনেকটা বেখেয়ালেই যেন জানতে চাইলাম আমি।

‘স্যার, ওই মহিলা। ওই যে শানুর স্ত্রী। যাকে আপনি পাঠিয়েছিলেন একজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আসতে। কিন্তু কেউ আসেনি―কাউকে আনতে পারেনি, স্যার।’ ‘হু’ করে পরিচিত একটি শব্দ করেই মুচকি হেসে হাবিলদার আমির হেসেন সেই সঙ্গে যোগ করে, ‘যে দেশে গরিব মরলে দাফন-কাফন করতে সহজে মানুষ পাওয়া যায় না, স্যার। আর সেই দেশে একজন গরিব মহিলার কথায় তদবির করতে থানায় ছুটে আসবে গণ্যমান্য কেউ। বাস্তব বড়ো কঠিন স্যার!’

‘ঠিকই বলেছেন আমির।’ হাবিলদার আমির হোসেনের কথায় ঐকমত্য প্রকাশ করি আমি, ‘তো মহিলা এখন কী বলেন?’

‘‘কী আর বলবে, স্যার। কেবল আমার পিছু পিছু ঘুরছে আর ঘ্যানঘ্যান করছে। কথা একটাই, ‘জীবনে আর জুয়া খেলবে না। প্রথমবারের মতো মাফ করেন।’ গরিব মানুষ; মায়াও লাগে। ছোটখাটো অপরাধ। শাষিয়ে এ যাত্রা ছেড়ে দেওয়া যায় কিনা, দেখুন-না, স্যার।’’ বলে হাবিলদার আমির হেসেন।

‘ধরে এনেছেন আপনি। আপনি ছাড়তে চাইলে তাতে আমার কোনোই আপত্তি নেই। তো মহিলা এখন কোথায়?’

‘গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ডাকবো, স্যার?’ বলে হাবিলদার আমির হেসেন।

‘ডাকেন।’ বলেই হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়াই আমি।

আমার অফিস কক্ষে প্রবেশ করে মহিলা। তার কন্যাশিশুটি তখনও মা‘র আঁচল ধরে পাশে পাশে হাঁটছে আর কাঁদছে। শিশুটিকে প্রথম দেখার পর থেকেই আমার ভালো লেগেছে এবং ওর প্রতি মায়া জন্মেছে আমার হৃদয়ে। তাই ওকে কাছে ডেকে নিলাম। মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করলাম। নাম জানতে চাইলাম। কান্নার কারণ জানতে চাইলাম ওরই কাছে। কান্না জড়িত কণ্ঠে নিজের নাম ‘জান্নাত’ বলে জানালো বটে। কিন্তু কান্নার কারণটি বললো না ও আমাকে।

আমার ধারণা, হয়তো বা শিশুটি ওর বাবাকে ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে কাঁদছে। অথবা মা‘র কাছে ওর কোনো বায়না আছে, মা তা পুরণ করছে না বলেই কাঁদছে। সে যে কারণেই হোক-না কেন। ওর এ মুহূর্তের বায়নাটা আমি পূরণ করবো বলে মন স্থির করলাম।

‘ও কাঁদছে কেন?’ শিশুটির কান্নার কারণ এবার জানতে চাইলাম ওর মা’র কাছে।

‘কী জানি, স্যার। কী জন্য কান্দে তা ওই জানে।’ নিজের মেয়ে জান্নাতের কান্নার কারণটা না বলে আড়াল করার চেষ্টা করে মা জয়তুন।

‘আপনার শিশুকন্যার কান্নার কারণ আপনি জানেন না, তা তো হতেই পারে না।’ যুক্তি দেখিয়ে আবারো জানতে চাই, ‘প্লিজ! বলুন-না ও কী চায়?’

‘ওইটা অন্য একটা ব্যাপার, স্যার।’ জান্নাতের কান্নার আসল কারণটা না বলে এবারও কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার  চেষ্টা করে মা জয়তুন।

‘বলতে দ্বিধা কেন আপনার? ও কী চায় বা ওর বায়নাটা কী?’ এবার জোর দিয়েই জানতে চাই আমি। আর জোর দেবই বা-না কেন? আমি যে মন স্থির করেছি এ মুহূর্তে জান্নাতের বায়না যাই হোক-না কেন, আমি তা পূরণ করবোই।

‘ওর কান্দনের সত্যি কারণটাই কইবো, স্যার?’ পাল্টা প্রশ্ন করে উত্তরের অপেক্ষায় থাকে জয়তুন।

‘হ্যাঁ, অবশ্যই বলবেন। আমি তো বারবার তাই জানতে চাচ্ছি।’

‘স্যার, ওর বাবারে তো আপনারা ধইরা নিয়া আইছেন। এখন টাকা ছাড়া তো ছাড়াইয়া নিতে পারুম না। আর হ্যায় দোষ করছে, টাকা ছাড়া হ্যারে আপনারা ছাড়বেন ক্যান্? তাইলে তো আদালতে চালান কইরা দিবেন।  আর ঘরে তো একটা কানা কড়িও নাই। কী করুম ভাইবা পাই না, স্যার।’ বলেই পাঁজর খালি করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে জয়তুন। সেই সঙ্গে আবার বলা শুরু করে, ‘শ্যাষম্যাশ চোখেমুখে কিছু না দেইখা কী করলাম, স্যার। জান্নাতের বাপে ওর কানে একজোড়া সোনার দুল কিনা দিছিলো। সেই দুল জোড়া ওর কান থেকে খুইলা গ্রামের একজনের কাছে পনের শ’ টাকায় বেইচা দিছি। সেই দুলের জন্য কান্দে, স্যার।’

‘সেই টাকাটা কোথায়?’ জানতে চাই আমি।

‘হাবিলদার স্যারকে দিছি, স্যার।’ বলে জয়তুন।

‘আমির, এই মহিলা নাকি আপনাকে পনের শ’ টাকা দিয়েছে? যদি সত্যি হয় তবে টাকাটা নিয়ে আসুন।’ হাবিলদার আমির কোনো কথা না বাড়িয়ে সঙ্গে সঙ্গে পনের শ’ টাকা এনে আমার হাতে দিলো।

‘ধরুন। টাকাগুলো ধরুন। এক্ষণে বাড়ি যাবেন। আর সোনার দুল জোড়া ফেরত নিয়ে ওর কানে পরিয়ে দেবেন এবং আমাকে দেখিয়ে নেবেন। ঠিক আছে?’ টাকাগুলো হাতে নিলো জয়তুন।

‘সেন্ট্রি। হাজতখানা থেকে আসামি শানুকে এক্ষণে ছেড়ে দিন।’ আসামি শানুকে ছেড়ে দেওয়ার আদেশ দিয়ে, একটা ভালো কাজ করার আনন্দ নিয়ে অফিস কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেলাম আমি। 


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : সুমনা গণি ট্রেড সেন্টার, (৪ তলা) প্লট-২, পান্থপথ (সার্ক ফোয়ারা মোড়), ঢাকা।
ফোন : ০২-৫৫০১৩২১৪ ফ্যাক্স : ০২-৫৫০১৩২১৫, বিজ্ঞাপন : ০১৭৮৭৬৮৪৪২৪, সার্কুলেশন : ০১৭৮৯১১৮৮১২
ই-মেইল : newsajkalerkhobor@gmail.com, addajkalerkhobor@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhoborbd.com, www.eajkalerkhobor.com